টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

টাকা ইনকাম করার অ্যাপ জন্য জনপ্রিয় কিছু মোবাইল অ্যাপ


বর্তমান যুগে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগ বা বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি অনেক মানুষের জন্য আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছে। আমরা অনেকেই ঘরে বসে অযথা সময় নষ্ট করি।

                                                 ছবি

উন্নত প্রযুক্তির ফলে তবে ঘরে বসেই বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে উপার্জন করা সম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, গৃহিণী, পার্টটাইম কিছু কাজ খুঁজে চলেছে এমন মানুষ অথবা যারা অতিরিক্ত আয় করতে চান তাদের জন্য মোবাইল অ্যাপগুলি ভালো সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।


পেজ সূচিপত্র: টাকা ইনকাম করার অ্যাপ


আপনি আপনার হাতে থাকার স্মার্ট মোবাইল ফোন দিয়ে সেই অ্যাপগুলোর মাধ্যমে খুব সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আমরা যদি সতর্ক হয়ে চোখ, কান খোলা রেখে চলি তাহলে আমরা দেখব অনেক ধরনের মোবাইল অ্যাপ রয়েছে যেগুলোতে ইনকাম করা খুবই সহজ। অনলাইনে আয়ের জন্য হাজার হাজার অ্যাপ থাকলেও সব অ্যাপই যে নির্ভরযোগ্য বা কার্যকর তা নয়। কিছু অ্যাপ ব্যবহারকারী দের সত্যিই আয়ের সুযোগ দেয়, আবার কিছু অ্যাপ শুধুমাত্র সময় নষ্ট করে। তাই একটি অ্যাপ ব্যবহারের আগে সেটির কাজের ধরন, পেমেন্ট পদ্ধতি, ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কে জানা খুবই জরুরি।

সাধারণত অনেক ভাবেই অনলাইনে ইনকাম করা যায় যেমন ফ্রিল্যান্সিং করে, ফেসবুকে ভিডিও বানিয়ে, এফিলিয়েট মার্কেটিং করে, ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে, সিপিএ মার্কেটিং করে ইত্যাদি নানা উপায় এ ইনকাম করা যায়।  তবে আজকের এই ব্লগে আমরা কিছু জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপ নিয়ে আলোচনা করব, সেগুলোতে ছোট ছোট ভিডিও দেখে, গেম খেলে, রেফার করে এছাড়া নানা উপায় ইনকাম করা যাবে।

টাকা ইনকাম করার অ্যাপ:

  • FusionCash
  • cWork
  • Cointiply
  • Uber Driver
  • FanFight

আমরা পাঁচটি জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। প্রতিটি অ্যাপের কাজের পদ্ধতি, সুবিধা, অসুবিধা এবং আয়ের সম্ভাবনা নিয়ে এখানে সবভাবে বিশ্লেষণ করা হবে। তবে চলুন আমরা একে একে সবগুলো সম্পর্কে মোবাইল অ্যাপ সম্পর্কে জেনে নিই।

1. FusionCash মোবাইল অ্যাপ কী:

FusionCash হলো একটি অনলাইন প্লাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট ছোট অনলাইন কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারে। FusionCash মূলত একটি ওয়েবসাইট তবে মোবাইল থেকে ব্যবহার করা যায়। এই ওয়েবসাইটটি ২০০৫ সালে চালু হয় এবং এখানে ক্যাশ রিওয়ার্ড পাওয়া যায়।

FusionCash-এ কী ধরনের কাজ করা যায়:

এই ওয়েবসাইটে সার্ভে পূরণ করা, ভিডিও দেখা, পেইড ইমেইল পড়া, অফার বা অ্যাপ ট্রাই করা এবং রেফার করার মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। প্রতিটি কাজের জন্য সাধারণত ০.০১ থেকে ৫$ পর্যন্ত ইনকাম করা যায়।

FusionCash অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম:

প্রথমে FusionCash এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান এবং সেই ওয়েবসাইটের হোমপেজে গেলে “Join Now” বা “Sign Up Free” অপশন পাবেন, সেখানে ক্লিক করুন। রেজিস্ট্রেশন ফর্মে আপনার নাম, ইমেইল এড্রেস, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, লিঙ্গ, আপনার জন্ম তারিখ ও সাল আর নিজের দেশ বসান এবং এগিয়ে যান। তারপরে আপনার ইমেইল একাউন্টে প্রবেশ করলে দেখবেন উক্ত ওয়েবসাইট হতে আপনাকে ইমেইল ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে। সেই ইমেলটি ভেরিফাই করুন। প্রোফাইল সম্পন্ন করার জন্য তারপরে প্রোফাইল ইনফরমেশন পূরণ করুন এবং পেমেন্ট মেথড সেট করুন।

ইনকাম কত হতে পারে এবং টাকা তোলার নিয়ম:

এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিন দুই থেকে তিন ডলার সমপরিমাণ টাকা ইনকাম করা যেতে পারে। তবে অনেক ব্যবহারকারী মাসে ৩০ থেকে ৩৫ ডলার পর্যন্ত সমপরিমাণ অর্থ ইনকাম করে থাকে। টাকা উত্তোলনের জন্য আপনার একাউন্টে ২৫ ডলার সমপরিমাণ টাকা থাকতে হবে। পেমেন্ট সিস্টেম হিসেবে রয়েছে পেপাল ডিরেক্ট ডিপোজিট ইত্যাদি।

গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা:

এই ওয়েবসাইট ব্যবহারের জন্য আপনাদের অবশ্যই ভিপিএন ব্যবহার করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে কাজের টাকা খুব কম হতে পারে এবং কিছু ব্যবহারকারী পেমেন্ট এবং সাপোর্ট নিয়ে অভিযোগ করেছে।

2. cWork- মোবাইল অ্যাপ কী:

cWork হলো একটি মোবাইল ভিত্তি মাইক্রো জব ইনকাম প্লাটফর্ম। যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট ছোট কাজ করে টাকা উপার্জন করতে পারে। এটি মূলত স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সেরা ও জনপ্রিয় একটি অ্যাপ। বিশেষ করে বাংলাদেশিদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই অ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি ও  ক্লাইন্টরা কাজ দেয় আর ব্যবহারকারীরা সেই কাজ সম্পন্ন করে এবং পেমেন্ট পায়।

cWork-এ কী ধরনের কাজ করা যায়:

এই অ্যাপ ব্যবহার করে সাধারণত অনেক কাজ করা যায় যেমন কপি পেস্ট, ভিডিও দেখা বা সাবস্ক্রাইব করা, ডাটা এন্ট্রি, ছোট বড় সার্ভে পূরণ করা, এসইও ব্লগ লেখার কাজ, ডাটা উপাত্ত সংগ্রহ বা ডকুমেন্টের কাজ ইত্যাদি। 

cWork-এ অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম:

এই অ্যাপে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আপনাদের প্রথমে চলে যেতে হবে গুগল প্লেস্টোরে। সেখানে গিয়ে Cwork লিখে সার্চ করুন এবং অ্যাপটি ইন্সটল করুন। অ্যাপটি ওপেন করলে রেজিস্টার বা সাইন আপ নামে অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ইমেল অ্যাড্রেস, পাসওয়ার্ড এবং দেশ সিলেক্ট করার পর কন্টিনিউ এ ক্লিক করুন। তারপর দেখবেন আপনার মোবাইল নম্বরে একটি otp কোড আসবে। এই কোড দিয়ে আপনার একাউন্টে ভেরিফাই করতে হবে। তারপরে চলে যেতে হবে প্রোফাইল ইনফরমেশন অপশনে এবং ইনফরমেশন গুলো ফিলাপ করতে হবে তার সাথে পেমেন্ট মেথডটি সিস্টেমটি সেট করে নিতে হবে।

ইনকাম কত হতে পারে এবং টাকা তোলার নিয়ম:

cWork-এ কাজের ধরন অনুযায়ী ইনকাম ভিন্ন হতে পারে। প্রতিটি ছোট কাজের জন্য ২ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন, মাঝারি কাজের জন্য ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়, এবং বিশেষ বড় ধরনের কাজের জন্য 50 থেকে 100 টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়ে থাকে। প্রতিদিন নিয়মিত কাজ করলে আনুমানিক ৫০ থেকে ২০০ টাকা ইনকাম করা সম্ভব এবং মাসে ১৫০০ থেকে ৬০০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। 

আরও পড়ুন: দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps

সেটা নির্ভর করবে আপনার কাজের উপরে। উক্ত অ্যাপ থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যালেন্স অথবা ওয়ালেট অপশনে যান। তারপরে উইথড্র গঠনে ক্লিক করুন আপনার পেমেন্ট সিস্টেম যেমন বিকাশ, নগদ, রকেট সিলেক্ট করুন। কত টাকা তুলতে চাচ্ছেন সেটি লিখুন এবং কনফার্ম বাটনে চাপ দিন। তবে মনে রাখবেন সর্বনিম্ন উইথড্র সিস্টেম একসাথে 500 টাকার মধ্যে।

সংক্ষেপে:

cWork থেকে বড় আয় নয়, তবে ফাঁকা সময়ে ছোট ছোট কাজ করে কিছু এক্সট্রা ইনকাম করা সম্ভব।

3. Cointiply- মোবাইল অ্যাপ কী:

এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন অনলাইন কাজের মাধ্যমে কয়েনস নামে পয়েন্ট পায়। এই অ্যাপটি মূলত ক্রিপ্টো আয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম।

Cointiply-এ কী ধরনের কাজ করা যায়:

এ সাধারণত সার্ভে পূরণ করা, ভিডিও দেখা, গেম খেলা বা অ্যাপ ইনস্টল করা, বিজ্ঞাপন দেখা এবং রেফার করে কয়েন পাওয়া যায়। সে কয়েন ক্রিপ্ট কারেন্সিতে রূপান্তর করা যায়।

Cointiply-এ অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম:

প্রথমে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন অথবা চলে যান গুগল প্লেস্টোরে, প্লেস্টোর থেকে Cointiply অ্যাপ ইন্সটল করুন এবং ওপেন করুন। তারপরে সাইন আপ অথবা রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করুন। আপনার যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য দিন যেমন ইউজার নেম, ইমেইল এড্রেস, পাসওয়ার্ড ইত্যাদিদিয়ে একাউন্ট খুলুন। 

রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনার ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক পাঠানো হবে। সেই লিংকে ক্লিক করে আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করুন। ভেরিফিকেশন শেষ হলে আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্টটি লগইন করে নিন। লগইন করার পরে আপনি বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন যেমন সার্ভে, ভিডিও দেখা, বিভিন্ন অফার কমপ্লিট এবং বিভিন্ন গেম খেলে উপার্জন করতে পারবেন।

ইনকাম কত হতে পারে এবং টাকা তোলার নিয়ম:

ইনকাম মূলত আপনি কত কাজ করছেন তার ওপর নির্ভর করে. অ্যাড দেখার জন্য ৫ থেকে ১০ কয়েন, সার্ভে কমপ্লিট করার জন্য 500 থেকে 5000 পর্যন্ত পারে কয়েন এবং বিভিন্ন অফার কমপ্লিট করার জন্য ১০০০ থেকে ১০০০০ পর্যন্ত কয়েন দেওয়া হয়ে থাকে। দশ হাজার কয়েন সমান প্রায় এক ডলার সমপরিমাণ টাকা। নিয়মিত কাজ করলে প্রতিদিন 0.20 থেকে 2 ডলার পর্যন্ত ইনকাম হতে পারে এবং মাসে ৫ থেকে ৫০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করা যায়। 

আরও পড়ুন: ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম

তবে সার্ভে ও অফার বেশি করলে আয় একটু বেশি হয় ইনকাম। একাউন্ট থেকে টাকা তোলার জন্য আপনাকে চলে যেতে হবে ব্যালেন্স অথবা উইড্র অপশন এ। যে ক্রিপ্ট নিতে চান সেটি নির্বাচন করতে হবে তারপরে আপনার ক্রিপ্ট কারেন্সি অ্যাকাউন্টের ওয়ালেট এড্রেস দিন এবং উইড্র বাটনে চাপ দেন। পেমেন্ট অপশন হিসেবে আছে বিটকয়েন, ডোজি কয়েন, লাইট কয়েন, ড্যাশ ইত্যাদি। তবে এটি কোন বড় ধরনের ইনকাম নয় ফাঁকা সময়ে ছোট কাজ করে অল্প কিছু ক্রিপ্টো ইনকাম করা সম্ভব।

4. Uber Driver- মোবাইল অ্যাপ কী:

Uber Driver হলো এমন একটি অ্যাপ যেখানে মোটরসাইকেল বা গাড়ি চালকরা যাত্রীদের রাইড সার্ভিস দিয়ে থাকে। যার মাধ্যমে তারা আয় করতে পারেন। যাত্রীরা উক্ত অ্যাপ দিয়ে গাড়ি বুক করলে সে রিকোয়েস্ট কাছাকাছি কোন ড্রাইভার এর কাছে যায়। ড্রাইভার রাইড গ্রহণ করে যাত্রীকে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছায় দিতে পারলে একটি নির্দিষ্ট ভাড়া পান।

Uber Driver এ কী ধরনের কাজ করা যায়:

উবার ড্রাইভারে মূলত গাড়ি চালিয়ে বা রাইড শেয়ার করে ইনকাম করা হয়। তবে এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কাজ করা সম্ভব যেমন Standard Ride, Premium Ride, Uber Pool/Share Ride, Uber Eats / Food Delivery, Special Services ইত্যাদি। 

ইনকাম কত হতে পারে এবং টাকা তোলার নিয়ম:

সাধারণভাবে একজন ড্রাইভার প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘন্টা কাজ করলে এক হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারে এবং মাসে অনুমানিক আয় ৩০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে এতে কিছু ব্যয় রয়েছে যেমন ফুয়েল, রক্ষণাবেক্ষণ, ট্যাক্স ইত্যাদি। টাকা উত্তোলনের জন্য প্রথমে অ্যাপেল লগইন করুন, তারপর ব্যালেন্স অপশনে যান এবং উইড্রো বাটনে ক্লিক করুন। 

আরও পড়ুন: মেয়েদের ঘরে বসে রোজগারের সেরা ৫টি উপায়

তারপরে আপনার পছন্দের পেমেন্ট সিস্টেম নির্বাচন করুন যেমন ব্যাংক ট্রান্সফার, বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি।তারপরে কত টাকা তুলবেন সেটি নির্ধারণ করুন এবং কনফার্ম করলে টাকা আপনার উক্ত একাউন্টে পৌঁছে যাবে।

গুরুত্বপূর্ণ টিপস: 

সাধারণত ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা হলে উইথড্র করা যায় তবে অ্যাপ এর নিয়ম অনুযায়ী কিছু পরিবর্তন হতে পারে এবং এটি নির্ভর করে গাড়ির খরচ ও নিট আয় এর উপর।

5. FanFight-মোবাইল অ্যাপ কী:

FanFight হলো একটি ফ্যান্টাসি স্পোর্টস মোবাইল অ্যাপ। যেখানে ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল টিম তৈরি করে বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করে থাকে এবং টাকা জিততে পারে। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বাস্তব খেলোয়াড়দের নিয়ে নিজের ভার্চুয়াল টিম তৈরি করতে পারেন যেখানে পারফরমেন্স অনুযায়ী পয়েন্ট পাওয়া যায় যদি আপনার টিম বেশি পয়েন্ট পায় তাহলে আপনি ক্যাশ প্রাইস জিততে পারেন।

FanFight-এ কী ধরনের কাজ করা যায়:

যেহেতু এটি ফ্যান্টাসি স্পোর্টস কন্টেন্ট থাকে কনটেস্ট থাকে তাই এখানে ক্রিকেট ফুটবল বাস্কেটবল কাবাডি আমেরিকান ফুটবল ইত্যাদি খেলা রয়েছে।

FanFight-এ অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম:

FanFight অ্যাপ এ একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম গুগল প্লেস্টোরে অথবা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে FanFight অ্যাপ ইন্সটল করে নিতে হবে এবং সাইন আপ অথবা রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করতে হবে তারপরে আপনার কিছু তথ্য যেমন মোবাইল নাম্বার, ইমেইল এড্রেস, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি দিয়ে সাবমিট করতে হবে। সাবমিট করা হয়ে গেলে আপনাকে একটি আপনার মোবাইল নাম্বারে ওটিপি কোড পাঠানো হবে, সেই কোডটি দিয়ে আপনার একাউন্ট ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করতে হবে।

ইনকাম কত হতে পারে এবং টাকা তোলার নিয়ম:

ফ্রি কনটেস্ট এ এন্ট্রি ফী লাগেনা এবং জিতলে ১০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়। যদিও এখানে মেগা কনটেস্ট যেমন, বড় ম্যাচ যেগুলোতে টাকার পরিমাণ একটু বড় হয়। কখনো কখনো প্রথম পুরস্কার লাখ টাকারও বেশি হতে পারে। টাকা উত্তোলনের জন্য অ্যাপে লগইন করুন।

তারপরে মাই ব্যালান্স অপশনে যান। উইড্র বাটনে ক্লিক করুন তারপরে উইড্র এমাউন্ট লিখে কনফার্ম করুন। এখানে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে ২০০ টাকা হলে উইথড্র করা যায় পেমেন্ট সিস্টেম হিসেবে ব্যাংক একাউন্ট বা ইউপিআই সিস্টেম রয়েছে।

উপসংহার: 

এই সমস্ত অ্যাপে আয়ের ধরন ও ঝুঁকি এক নয়। কিছু অ্যাপের ছোট ছোট কাজ করে অল্প আয় করা যায়। আবার কিছু অ্যাপ এ দক্ষতা বা পরিশ্রমের উপর নির্ভর করে তুলনামূলক অনেক বেশি আয় করা সম্ভব। তাই সব প্লাটফর্ম ব্যবহার করার আগে তাদের নিয়ম শর্ত ও সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। উক্ত অ্যাপ গুলো সঠিক ব্যবহার করলে ফাঁকা সময়ে অতিরিক্ত আয়ের ভালো মাধ্যম তৈরি হতে পারে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ইউজুয়াল প্ল্যাটফর্মের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Konok Kumer Paul
Konok Kumer Paul
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও ইউজুয়াল প্ল্যাটফর্মের অ্যাডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৪+ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি পাঠক এবং গ্রাহকদের সহায়তা করে যাচ্ছেন।